donation

Friday, November 28, 2025

অদেখা হৃদয়ের কাছে by সিঁথি 2nd Page

 “অদেখা হৃদয়ের কাছে” 


“অদেখা হৃদয়ের কাছে”

লিখেছেন: সিঁথি জান্নাত (ছন্দ নাম)



অদেখা হৃদয়ের কাছে""" পার্ট–৯ : বিশ্বাসের পরীক্ষা, বিভ্রান্ত বন্ধুত্ব


সিঁথি জানত অনি তার জন্য কতটা গুরুত্ব দেয়।

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যত্ন, খেয়াল, ছোট ছোট ম্যাসেজ—

সব মিলিয়ে মনে হয়, পৃথিবীর কোনো বন্ধু এত যত্নশীল হতে পারে না।


কিন্তু হঠাৎ একদিন সব বদলে গেল।

অনির আচরণে এমন কিছু দেখা গেল, যা সিঁথির ভালো লাগল না।

সেদিন অনি হঠাৎ তার সঙ্গে বেশ বাজে ব্যবহার করল—

কিছু কথায়, কিছু হাসিতে এমন নিঃশব্দ আঘাত দিল,

যা সিঁথিকে ভিতরে ভিতরে দগ্ধ করে দিল।


---


সিঁথির বিভ্রান্তি


সিঁথি তার ভেতরে ভেবে বসল—


“আমি কি ভুল বুঝেছি?

ও কি আগের অনিই না, আমার সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু?

কেন হঠাৎ এমন আচরণ করছে?”


সে জানে, অনি কোনো প্রেমিক নয়,

কিন্তু যে care, যে গুরুত্ব ও দেখায়,

সেটা এখন আবার অদ্ভুতভাবে বিপরীত হয়ে গেছে।


সিঁথি চেষ্টা করল সব মেনে নিতে—

কারণ সে জানে, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু প্রতিবার অনি মানতে না,

সে যেন সবকিছু ভাঙতে চায়।

সিঁথি নিজেও জানে, এই মুহূর্তে সে কথা বলতে পারছে না—

কারণ বললেই হয়তো বন্ধুত্বের জায়গা হারাবে।


---


পুরুষদের আসল রূপের উপলব্ধি


সিঁথি ভাবল—


“পুরুষরা কি এমন?

যে এত যত্ন দেখায়, আবার হঠাৎ অসংবেদনশীল হয়ে যায়?

যে care, যে খেয়াল—সব কি শুধুই শখ, ক্ষমতার খেলা?”


ভেতরের ক্ষোভ আর হতাশা তাকে কেঁপে দেয়।

সে বোঝে, অনির আচরণ শুধু ভুল নয়,

এটা এমন একটা পরীক্ষা—

যা বন্ধুত্বকে নষ্ট করতে পারে।


---


সিঁথির চুপচাপ সংযম


সিঁথি চুপ থাকে, দেখার চেষ্টা করে,

যে কোনো মুহূর্তে অনি আবার আগের মতো হয়ে যাবে কি না।

সে চেষ্টা করে সম্পর্ককে ধরে রাখতে,

সব মেনে নিতে—কিন্তু অনি কিছুতেই রকমের নয়।


সিঁথি নিজেকে প্রশ্ন করে—


“আমি কি নতুন গার্লফ্রেন্ড পেয়েছি?

না, বন্ধু পেলাম…

কিন্তু হঠাৎ কি হলো?

আমার বিশ্বাস, আমার care—সব কি খালি?”


---


অভিমান আর কষ্টের ঘূর্ণিঝড়


সিঁথি মনে মনে কান্না পায়,

কিন্তু মুখে কিছু বলেনা।

সে জানে, যদি কিছু বলে, অনি হয়তো আরও কঠিন হয়ে যাবে।


বুকের মধ্যে অসীম কষ্ট, চোখে জল,

মনে একটি প্রশ্ন বারবার ঘুরছে—


“কেন আমার বিশ্বস্ত বন্ধু হঠাৎ আমার অনুভূতিকে আঘাত করে?”


এটা এক ধরনের বন্ধুত্বের পরীক্ষা,

যেখানে care ও ভালোবাসা আছে,

কিন্তু অপরিচিত আচরণ সিঁথিকে ভেঙে দিচ্ছে।


---


শেষ লাইন


সিঁথি জানে, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা তার দায়িত্ব।

কিন্তু আজও, রাতের নীরবতায়,

সে মনে মনে ভাবছে—


“আমি কি আবার আগের মতো সব মেনে নিতে পারব?

নাকি আজকের অনির আচরণ সবকিছু বদলে দিল?”


এটাই সেই মুহূর্ত,

যেখানে পৃথিবীর সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধুত্বও

পরীক্ষার মুখে পড়ে—

এবং কেউ জানে না, এর পর কী হবে।





"""অদেখা হৃদয়ের কাছে""""পার্ট–১০ : বন্ধুত্বের চূড়ান্ত পরীক্ষা ও শক্তি


সিঁথি জানত, অনির প্রতি তার care অসীম।

কিন্তু শেষ কয়েকদিনে অনির আচরণ সিঁথিকে আহত করেছে।

সিঁথি ভেতরে ভেঙে পড়ছে, কিন্তু মুখে কিছু বলেনা।

কারণ সে জানে—যদি সে আজ কথা বলেও, বন্ধুত্বের জায়গা হারাতে পারে।


---


অনি–সিঁথির শেষ পরীক্ষা


একদিন অনি আবার তার পরিচিত নীরবতা ভেঙে কিছু কথা বলল—

কিন্তু diesmal কথাগুলো এত স্বার্থপর, এত অনাদরপূর্ণ,

সিঁথি ভেবেছিল—“এই কি সত্যিই আমার বন্ধু?”


সিঁথি চুপচাপ তাকিয়ে রইল।

ভেতরের কষ্ট যেন বুকের ভেতর গুঁড়ো হয়ে গেছে।

সে জানত, care দিয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা তার দায়িত্ব,

কিন্তু আজ অনি যেন পুরোপুরি অমান্য করেছে সেই বিশ্বাস।


---


সিঁথির দৃঢ়তা ও স্বমর্যাদা


সিঁথি মনের ভিতর বলল—


“আমি প্রেমিক নই, আমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বন্ধু।

কিন্তু নিজের মর্যাদা হারাতে পারি না।

যে care, যে ভালোবাসা আমি দিচ্ছি,

তাকে অবমূল্যায়ন করা চলবে না।”


সে জানল, এই মুহূর্তে নিজের অনুভূতি রক্ষা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সে অনিকে বোঝাতে চায়,

যে care ও ভালোবাসা, যেটা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বন্ধুত্বের অংশ,

এটি প্রেম নয়, কিন্তু গভীর ও শক্তিশালী।


---


অনি বোঝে, কিন্তু লজ্জিত হয়


কিছুদিনের নীরবতার পর অনি ধীরে ধীরে বোঝল—

তার আচরণ সিঁথিকে আহত করেছে।

সে নিজেই অনুভব করল—


“আমি ভুল করেছি।

সিঁথি এত care, এত ভালোবাসা দিচ্ছে,

আমি তা মূল্যায়ন করতে পারিনি।”


একদিন অনি চুপচাপ বসে বলল—


“সিঁথি… আমি ভুল করেছি।

আমি এমন আচরণ করেছি যা তোমার ভালো লাগেনি।

তুই আমার সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু…

আমি কখনোই সেটা ভুলতে চাইনি।”


সিঁথি চোখ ভিজে গেল, কিন্তু সে শান্ত।

এবার সে বুঝল—অনি সত্যিই care করে, কিন্তু তাকে শিখতে হয়েছে বন্ধুত্বের মূল্য।


---


বন্ধুত্বের চূড়ান্ত শক্তি


সিঁথি হেসে বলল—


“আমরা প্রেমিক–প্রেমিকা নই, অনি।

কিন্তু এই care, এই বিশ্বাস,

এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সম্পর্ক।

আমরা একে অপরকে হারাতে চাই না,

কিন্তু প্রেমের নাম দিয়ে কোনো ভুলের সুযোগ নেই।”


অনি মাথা নিচু করে হেসে বলল—


“হ্যাঁ, আমি বুঝেছি।

আমি আর কখনো তোমার বিশ্বাসে আঘাত দেব না।

তুই শুধুই আমার বন্ধু…

কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু।”


সিঁথি তার হাত ধরে বলল—


“এটাই যথেষ্ট, অনি।

আমাদের বন্ধুত্ব পৃথিবীর সব প্রেমের চেয়ে শক্ত।

আমরা একে অপরকে হারাতে দেব না।”


---


শেষ লাইন


এভাবে তাদের বন্ধুত্ব টিকে গেল—

সততা, care, বিশ্বাস, এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসার মাধ্যমে।

নাম নেই, প্রেম নেই, কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী সম্পর্ক—


বিশ্বস্ত হৃদয়।


সিঁথি আর অনি জানল—

যে বন্ধুত্বের ভিতরে care আর বিশ্বাস এত গভীর,

সেটি কোনো ঝড়ে, কোনো ভুলে, কোনো মানুষিক দুর্ব্যবহারে ভাঙে না।


এটাই তাদের গল্পের সত্যিকারের শক্তি—

পৃথিবীর চেয়ে বড়,

পৃথিবীর চেয়ে গভীর,

এবং চিরন্তন।



""অদেখা হৃদয়ের কাছে""" পার্ট–১১ : নীরব চোখের রহস্য



রাতের বাতাস হালকা।

সিঁথি জানালার পাশে বসে আকাশের দিকে তাকাচ্ছে।

তার চোখে আজ একটু অস্বাভাবিক ভাব, মনে হচ্ছে কেউ বা কিছু তাদের ওপর নজর রাখছে।


অনি, যার সঙ্গে প্রতিদিন নিঃস্বার্থ care–ভালোবাসা ভাগ করে,

আজ হঠাৎ কিছুটা রহস্যময়।

তার ফোন বারবার বাজছে, কিন্তু অনি তা ধরছে না।

ম্যাসেজ আসে অজানা নাম থেকে—কেউ যা সে জানে না।


সিঁথি ভেতরে ভেতরে ভাবছে—

“অনির সঙ্গে সব ঠিক আছে তো?

কেন হঠাৎ ও এত গোপন…

আমার trust কি এই মুহূর্তেও পর্যাপ্ত?”


---


হালকা মিস্ট্রি


সিঁথি লক্ষ্য করে—


- অনি রাতের গভীরে হঠাৎ বেরিয়ে যায়।

- ফিরে এসে চুপচাপ ঘুমায়, কিছু বলে না।

- তার চোখে অদ্ভুত দৃষ্টি—যেমন ভেতরে কিছু weight আছে।


সিঁথি মনে মনে মনে করে—

“এটা কি শুধু stress? না কি… আরও কিছু?”


---


বন্ধুত্বের care এখন suspense–এর মধ্যে


সিঁথি চেষ্টা করে অনির দিকে মৃদু হাসি দেয়, হালকা কথায় যত্ন দেখায়।

অনি হেসে বলে—


“তুই চিন্তা করছিস কেন? সব ঠিক আছে।”


কিন্তু তার চোখের কিছু ভাঁজ, কিছু নিঃশ্বাসের ধরন—সবই বলছে,

“সত্যি সব ঠিক নয়।”


---


সিঁথির অন্তর্দৃষ্টি


সিঁথি চুপচাপ অনির পাশে বসে আছে।

ভেতরে একটা intuition—কিছু ঘটনা ঘটে যাচ্ছে যা অনি ভাগ করছে না।

সিঁথি ভাবছে—


“আমি কি সত্যিই ওর পুরো truth জানি?

বন্ধুত্বের এই শক্তি কি এই mystery–কে সহ্য করতে পারবে?”


---


Cliffhanger–এর মুহূর্ত


হঠাৎ অনির ফোন আবার বাজল।

অজানা নামের কল।

অনির চোখ বড় হয়ে যায়, সে চুপচাপ ফোন দেখে।

সিঁথি কানে কানে বলে—


“অনি… তুমি ঠিক আছো তো?”


অনি চুপ।

সিঁথির intuition বলছে—

“এবার কিছু বড় ঘটতে যাচ্ছে…”


পাঠক জানে, বন্ধুত্বের care, নিঃশর্ত ভালোবাসা, এবং রহস্য একসাথে মিলিত হচ্ছে।

কিন্তু পরবর্তী কী হবে, সেটা এখনও লুকানো।


---


শেষ লাইন (Cliffhanger)


সিঁথি চোখে জল দিয়ে বলল—


“আমি আছি… কিন্তু তুমি কি আমাকে সব বলবে?”


অনি কিছু বলে না।

রাতের নীরবতা তাদের চারপাশে গোপন চিৎকার করছে।

এই রহস্য এখন পাঠকের জন্য অপেক্ষা করছে—পরবর্তী পার্টে সব truth উন্মোচিত হবে।


“অনির রহস্য কি? সিঁথি কি জানবে সত্য? বন্ধুত্ব কি টিকবে?”





আমি সিঁথি ____বলছি..


জীবনে কি এত ভালো বন্ধু হয় করো, একজন ছেলে মেয়ে কি শুধুই বন্ধু হয় আমার জীবনের এই গল্পে বাকিটা জানাতে চাই ।


বাকিটা লিখতে চাই শুধু তোমার অনুপ্রেরণা দাও

Whatsapp করো ০১৬১৬৭১৪৫৫০ ..


+8801616714550   -----Whatsapp only

0
Views
0
Likes
0
Comments

No comments:

Post a Comment