donation

Sunday, November 23, 2025

আলো

অসীমের ছায়া ও অপ্রেমের বাঁধন – অনিমেষ রায় জয়ন্ত

অসীমের ছায়া ও অপ্রেমের বাঁধন

✍ লেখক: অনিমেষ রায় জয়ন্ত

📜 অধ্যায় ১: প্রেম যেখানে শর্তহীন — স্কুল ডায়েরির প্রথম পৃষ্ঠা

আমি অনিমেষ রায় জয়ন্ত, কলমই আমার জীবন, আর শ্রেয়া আমার অপ্রকাশিত মহাকাব্য। আমার গল্প শুরু স্কুলের ক্যাফেটেরিয়ার কোণে। শ্রেয়া ছিল সেই উড়ন্ত প্রজাপতি, যার চারপাশে শত ছেলে বন্ধুর ভিড়—আমি ছিলাম নীরব পর্যবেক্ষক।

আমি জানতাম, শ্রেয়া স্বাধীন, ক্ষণস্থায়ী সম্পর্কের মানুষ। HSC-এর আগেই আমি তাকে চিঠি দিলাম—কিন্তু সে হাসিমুখে ফিরিয়ে দিল। বলল, "তুমি বন্ধু, কিন্তু আমি কাউকে বাঁধতে পারব না।"

সেই রাতে আমি লিখলাম—"তুমি যদি ১০০০ জনের সাথে প্রেম করো, তবুও আমি তোমাকেই ভালোবাসব।"

📜 অধ্যায় ২: চুক্তির দাম্পত্য ও ‘দিলরুবা’র ছায়া

ফল প্রকাশের পর শ্রেয়া বলল, "এক বছর আমাকে বিয়ে করো। তারপর বিচ্ছেদ।"

আমি রাজি হলাম। এই সময়েই অর্ণব জীবনে এলো—সরল, শান্ত, স্থিতিশীল। বিচ্ছেদের পর শ্রেয়া অর্ণবকে বিয়ে করল।

কিন্তু শ্রেয়ার স্বাধীন আত্মা দাম্পত্যের নিয়মে হাঁপিয়ে উঠল। অর্ণব বুঝল, তার স্ত্রী বাইরের মতো সহজ নয়—ভেতরে রহস্যে ভরা।

📜 অধ্যায় ৩: রহস্যের জাল, ভালোবাসা ও মনস্তত্ত্ব

তিন বছর পর শ্রেয়া আবার আমার কাছে ফিরে এলো। সে বলল—"অর্ণব আমাকে ভুল বুঝছে। আমি বুঝেছি, যে আমাকে আমার অন্ধকারসহ ভালোবাসবে, সে তুমি।"

কিন্তু ঠিক তখনই অর্ণব নিখোঁজ। পুলিশ সন্দেহ করল আমরা জড়িত। তার ডায়েরিতে লেখা—সে সব জানে, কিন্তু থেমে থাকেনি। এটা নিখোঁজ হওয়া নাকি প্রতিশোধ—আজও রহস্য।

আজ শ্রেয়া আমার পাশে। কিন্তু অর্ণবের ছায়া আমাদের জীবনে এক শেষ প্রশ্ন হয়ে রয়ে গেছে।

সত্যিকারের ভালোবাসার গল্প কখনো পুরো সত্য বলে না— কিছু রহস্য পাঠকের মনেই বেঁচে থাকে।

💬 WhatsApp Chat

No comments:

Post a Comment